সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন রুমিন ফারহানা
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২২-১০-২০২৬ ০৫:২১:৪০ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২২-১০-২০২৬ ০৫:২১:৪০ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
পূজামণ্ডপে গিয়ে দেবী দুর্গার প্রতিমার প্রতি ভক্তি প্রদর্শনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। এ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ধর্ম ও সামাজিক অনাচার নিয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি।
পোস্টে বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়মের উদাহরণ তুলে ধরে রুমিন ফারহানা লেখেন,
১. বলাৎকারে ধর্ম যায় না
২. ঘুষ খেলে ধর্ম যায় না
৩. শিশু ধর্ষণ বা নির্যাতনে ধর্ম যায় না
৪. মানুষ খুনে ধর্ম যায় না
৫. নারীর উপর সহিংসতায় ধর্ম যায় না
৬. নারীকে কুৎসিত অপবাদ দিলে ধর্ম যায় না
৭. অন্যের সম্পদ লুট করলে ধর্ম যায় না
৮. প্রতারণা আর মানুষ ঠকালে ধর্ম যায় না
৯. সারাবেলা মিথ্যার চাষে ধর্ম যায় না
১০. নোংরামি করে ধরা পড়ে মুতা বিয়া বললে ধর্ম যায় না
১১. মুনাফেকিকে জীবনের মূল মন্ত্র বানালে ধর্ম যায় না
১২. ধর্মকে ব্যবসা বানালে ধর্ম যায় না
১৩. বোনের হিস্যা ভাই মারলে ধর্ম যায় না
১৪. বাবা মাকে বৃদ্ধ বয়সে ভাগাড়ে ফেললে ধর্ম যায় না
১৫. অন্যের হক মেরে খেলে ধর্ম যায় না
১৬. মিথ্যার বেসাতিতে ধর্ম যায় না
১৭. ধর্মকে ঢাল বানিয়ে পাপাচারে লিপ্ত হলে ধর্ম যায় না
১৮. ওজন বা মাপে কম দিলে ধর্ম যায় না
১৯. খাদ্যে ভেজাল এমন কি বিষ মেশালেও ধর্ম যায় না
২০. ব্যাভিচারে ধর্ম যায় না
২১. দুর্বলের উপর অত্যাচারে ধর্ম যায় না
২২. দুষ্টের লালন পালনে ধর্ম মজবুত হয়
পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, ‘ধর্ম যায় কেবল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে।’
একই পোস্টে তাকে নিয়ে তৈরি একটি ছবি শেয়ার করে দুর্গাপ্রতিমার হাতের সংখ্যা নিয়েও মন্তব্য করেন রুমিন। তিনি লেখেন, ‘মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কি আর করা।’
এর আগে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) আশুগঞ্জের লালপুরের সূর্যকান্দি দাসপাড়ার একটি পূজামণ্ডপে গিয়ে দেবী দুর্গার প্রতিমার প্রতি ভক্তি প্রদর্শন করেন রুমিন ফারহানা। পরে সেই দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স